বাংলাদেশ এখনো রাজনৈতিকভাবে বেশ উত্তপ্ত অবস্থা পার করছে। নির্বাচন, গণতন্ত্রের অবস্থা, বিরোধী দলের আন্দোলন, আর সরকারের ভূমিকা — এসব বিষয় নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেকে বলছেন স্থিতিশীলতা আছে, আবার অনেকে মনে করছেন রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সীমিত হচ্ছে।
অর্থনীতিতে কিছু মিশ্র সংকেত দেখা যাচ্ছে —
রপ্তানি (বিশেষ করে পোশাক শিল্প) এখনো দেশের মূল চালিকাশক্তি। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমেছে, ডলার সংকট আছে। দ্রব্যমূল্য বেড়েছে, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের জীবনযাপন কঠিন হচ্ছে। সরকারের বড় প্রকল্পগুলো (যেমন পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল) উন্নয়ন দেখাচ্ছে, কিন্তু ঋণের চাপও বাড়ছে।
বেকারত্ব, দুর্নীতি, এবং সামাজিক বৈষম্য এখনো বড় সমস্যা।
তরুণ প্রজন্ম অনলাইনে সক্রিয়, তারা পরিবর্তন ও স্বচ্ছতার দাবি তুলছে।
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছে। তাই অনেক মানুষ এখনো দলটিকে মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকারী দল হিসেবে দেখে। “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান”-এর প্রতি শ্রদ্ধা থেকে অনেকের মধ্যে দলটির প্রতি একধরনের আবেগী আনুগত্য আছে। বিশেষ করে বয়স্ক প্রজন্মের মধ্যে এই আবেগ এখনো প্রবল।
সরকার গত এক দশকে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, রাস্তা, সেতু, যোগাযোগ, মেট্রোরেল ইত্যাদিতে বড় কাজ করেছে। অনেকেই মনে করেন, “যে দল কাজ করতে পারে, তাকে ক্ষমতায় রাখাই ভালো।” অনেক সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক সহিংসতা বা অস্থিরতা চায় না — তারা “স্থিতিশীলতা”কে উন্নয়নের শর্ত মনে করে।
আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করেছে — ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পর্যন্ত তাদের লোকবল আছে। স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, কৃষি সহায়তা — এসবের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণ সরকারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। অনেকে মনে করেন, “সরকারের সঙ্গে থাকলে সুবিধা পাওয়া যায়।”
অনেকেই মনে করেন, “আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই” — অর্থাৎ “যাকে ভোট দেবো, সে-ই বা কে?” এই অবস্থায় অনেকেই আপাতত “কম ক্ষতি” মনে করে বর্তমান সরকারকেই সমর্থন দেয়।
কেউ কেউ খোলাখুলি বিরোধিতা করতে ভয় পায় — প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক চাপের আশঙ্কা থাকে।
আওয়ামী লীগকে এখনো অনেকেই চায় —
কেউ আবেগের কারণে, কেউ উন্নয়নের জন্য, কেউ স্থিতিশীলতার জন্য,
Emam Hossain
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান