৭ই মার্চ ১৯৭১ স্থান: রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান), ঢাকা l বক্তা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রোতা: লক্ষ লক্ষ মানুষ, পুরো জাতিl

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় পেলেও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। পূর্ব পাকিস্তানে দমন-পীড়ন, বৈষম্য ও সামরিক হুমকি চরমে ওঠে। এই সংকটময় মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু জাতির দিকনির্দেশনা দিতে ৭ই মার্চ ভাষণ দেন।

সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা না করেও স্বাধীনতার প্রস্তুতির স্পষ্ট নির্দেশ। অসহযোগ আন্দোলন: প্রশাসন, আদালত, অফিস—সব ক্ষেত্রে জনগণকে অসহযোগে অংশ নিতে বলা। সংগ্রামের ডাক: “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” শৃঙ্খলা ও ঐক্য: ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা, কিন্তু শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান।

পুরো জাতিকে একতাবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধের পথে প্রস্তুত করে। কার্যত এটি ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর নৈতিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপন করে।

২০১৭ সালে ইউনেস্কো ৭ই মার্চের ভাষণকে “Memory of the World Register”-এ অন্তর্ভুক্ত করে—বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পায়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান🇧🇩বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি, বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা।

বাঙালির অধিকার ও আত্মপরিচয়ের সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন ১৯৫২ ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থান—সবখানেই অগ্রণী ভূমিকা ৭ই মার্চ ১৯৭১-এর ঐতিহাসিক ভাষণে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেন ২৬ মার্চ ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণা দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বিজয় ,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব ও আদর্শশোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন অসাধারণ বক্তা, জননেতা ও সাহসী সংগ্রামী জনগণের শক্তিতেই বিশ্বাস করতেন।

অমর বাণী

“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

যারা আওয়ামী লীগ নিয়ে কতু কথা বলে ,তাদের ইস্পস্ত করে বলতে চাই ,খুব দূরে নয় অচিরেই শুনবো আবার শেখ মুজিবুর রহমানের অমর বাণী“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।বাংলাদেশের মানুষের ভালবাসার নাম , আওয়ামীলীগ 😍শেখ হাসিনা।

Posted in

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান