• বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী এবং সর্বাধিক জনসমর্থিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ১২ই ফেব্রুয়ারির যে প্রক্রিয়াকে নির্বাচন বলা হচ্ছে, তা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে না; বরং গণতন্ত্রকে বিলুপ্ত করার পথ প্রশস্ত করবে।

    গণতন্ত্র কি সত্যিই প্রতিষ্ঠিত হবে, নাকি বিলুপ্তির পথে?

    বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি প্রশ্ন বারবার সামনে আসে—যে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দেশের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, সেটাকে আদৌ নির্বাচন বলা যায় কি?

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়; এটি এই দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। দীর্ঘদিন ধরে এই দলটি দেশের সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের সমর্থন নিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয়। এমন একটি দলকে বাদ দিয়ে যদি কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে তা জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন হতে পারে না।

    ১২ই ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেটিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে এতে রাজনৈতিক ভারসাম্য ও অংশগ্রহণের ঘাটতি রয়েছে। ফলে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক নির্বাচন হিসেবে বিবেচনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, এ ধরনের নির্বাচনকে সাধারণত “অসম্পূর্ণ নির্বাচন” (partial election) বলা হয়, যেখানে প্রতিযোগিতা থাকলেও তা সমান ও সর্বজনগ্রাহ্য নয়।

    এই কারণেই আমি মনে করি, “ভোটকেন্দ্রে যাব না, ভোটও দেব না”—এটা কেবল একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, এটি একটি প্রতিবাদ। এটি এমন এক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বদলে গণতন্ত্রকে ধীরে ধীরে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

    গণতন্ত্র কখনো একপাক্ষিক হতে পারে না। গণতন্ত্র মানে বহুমত, বহুদল, ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া। আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, তা এই মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এতে রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর হবে, জনগণের আস্থা কমবে এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে।

    আজ আমাদের প্রশ্ন করা উচিত—আমরা কি কেবল একটি তারিখে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চাই, নাকি সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক একটি প্রক্রিয়া চাই? যদি উত্তর দ্বিতীয়টি হয়, তবে সকল প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

    ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, গণতন্ত্র কখনো বর্জনের মাধ্যমে শক্তিশালী হয়নি। বরং সংলাপ, অংশগ্রহণ ও সহনশীলতার মাধ্যমেই গণতন্ত্র টিকে থাকে। সুতরাং ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যদি এই মূল্যবোধ ধারণ করতে না পারে, তবে সেটি গণতন্ত্রের বিজয় নয়—গণতন্ত্রের পরাজয় হিসেবেই বিবেচিত হবে।সুতরাং প্রশ্নটি কেবল একটি নির্বাচনের নয়; প্রশ্নটি গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে। নির্বাচন যদি অন্তর্ভুক্তিমূলক, প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক না হয়, তবে তা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বদলে গণতান্ত্রিক সংকটকে আরও গভীর করতে পারে।

  • একটি দেশের রাষ্ট্রচরিত্র বোঝা যায় সে দেশের সংবিধান দিয়ে নয়, বোঝা যায় সেখানে দুর্বল মানুষ কতটা নিরাপদ। আজ বাংলাদেশে প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে—

    “এই দেশে বিধর্মীরা সংসদে থাকতে পারবে না।”

    এই বক্তব্য কোনো সাধারণ কথাবার্তা নয়। এটি সরাসরি একটি ঘোষণাপত্র:

    বাংলাদেশকে আর নাগরিক রাষ্ট্র নয়, ধর্মীয় রাষ্ট্রে রূপান্তর করার ঘোষণা।

    প্রশ্ন হলো—

    যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ, সেই দেশ কার?

    মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে।

    সে যুদ্ধে শহীদ হয়েছিল হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ।

    তাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে তৈরি হয়েছিল একটি রাষ্ট্র, যেখানে ধর্ম নয়—নাগরিকত্বই পরিচয়।

    আজ যদি বলা হয়,

    হিন্দু সংসদে যাবে না খ্রিষ্টান রাষ্ট্র চালাতে পারবে না বৌদ্ধ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না

    তাহলে সেটা শুধু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নয়,

    সেটা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা।

    সংবিধান ছিঁড়ে ফেলার ঘোষণা

    বাংলাদেশের সংবিধান বলে—

    সকল নাগরিক সমান। ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা যাবে না।

    কিন্তু ধর্মীয় রাজনীতির মুখপাত্ররা আজ বলছে—

    “এটা মুসলমানের দেশ, অন্যরা শাসন করবে কেন?”

    এই বক্তব্য মানে দাঁড়ায়—

    সংবিধান বাতিল নাগরিকত্ব বাতিল গণতন্ত্র বাতিল

    এটা কোনো মতামত নয়,

    এটা রাষ্ট্রবিরোধী রাজনীতি।

    ইতিহাস জানে এই পথের শেষ কোথায়

    যখনই কোনো দেশে বলা হয়েছে—

    “এই দেশ শুধু আমাদের ধর্মের”

    সেখানেই শুরু হয়েছে—

    সংখ্যালঘু নিধন নারী অধিকার ধ্বংস ভিন্নমত দমন ভয় ও রক্তের রাজনীতি

    আফগানিস্তান, ইরান, সিরিয়ার ধ্বংসস্তূপ—সবই এই দর্শনের ফল।

    বাংলাদেশ কি সেই তালিকায় নাম লেখাতে চায়?

    রাষ্ট্রের নীরবতা = সম্মতি

    একজন ব্যক্তি মঞ্চে দাঁড়িয়ে সংবিধান লঙ্ঘনের কথা বলে।

    আর রাষ্ট্র বলে—

    লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।”

    এই নীরবতা কোনো প্রশাসনিক দুর্বলতা নয়।

    এই নীরবতা রাজনৈতিক বার্তা।

    বার্তাটা হলো—

    এই বক্তব্য সহনীয়

    এই ঘৃণা বৈধ

    এই রাজনীতি অনুমোদিত

    এটাই সবচেয়ে ভয়ংকর।

    এই লড়াই শুধু সংখ্যালঘুদের নয়

    অনেকে ভাবছে—এটা শুধু হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানদের সমস্যা।

    এটা ভুল।

    ধর্মীয় রাষ্ট্র প্রথমে সংখ্যালঘুদের দমন করে,

    তারপর নারীদের,

    তারপর ভিন্নমতাবলম্বী মুসলমানদের,

    শেষে নিজের সন্তানদেরই খায়।

    এটা ইতিহাসের নিয়ম।

    দেশ কার?

    যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ—

    সে দেশ কি জনগণের?

    সে দেশ কি মুক্তিযুদ্ধের?

    সে দেশ কি সংবিধানের?

    না।

    সে দেশ হয়—

    একদল উগ্র মতাদর্শীর একদল ধর্ম ব্যবসায়ীর একদল ক্ষমতালোভীর

    রাষ্ট্র আর থাকে না,

    থাকে শুধু ভয়।

    এখনই সিদ্ধান্তের সময়

    বাংলাদেশ আজ দুই পথের সামনে দাঁড়িয়ে—

    এক পথ:

    সংবিধান গণতন্ত্র সমান অধিকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

    আরেক পথ:

    ধর্মীয় একনায়কত্ব মধ্যযুগীয় শাসন সংখ্যালঘু নিধন ভয় ও বিভাজন

    মাঝামাঝি কোনো রাস্তা নেই।

    উপসংহার বলতে চাই ,,,,,

    যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে আসা নিষিদ্ধ—

    সে দেশ আর বাংলাদেশ থাকে না।

    সে দেশ হয়ে যায় একটি গোষ্ঠীর দখলকৃত ভূখণ্ড।

    বাংলাদেশ কোনো গোষ্ঠীর নয়।

    বাংলাদেশ সবার।

    আর এই সত্য রক্ষার দায়িত্ব শুধু সংখ্যালঘুদের নয়—

    এই দায়িত্ব প্রতিটি বিবেকবান নাগরিকের।

    কারণ আজ যদি সংখ্যালঘুর অধিকার কাড়া যায়,

    আগামীকাল কাড়া হবে আপনারটাও।

  • ইনসাফ তখনই অদৃশ্য হয়ে যায়, যখন

    আইনের আগে মানুষ নয়, পরিচয় বড় হয়ে যায় সত্যের আগে শক্তি বড় হয়ে যায় আর্তনাদের আগে রাজনীতি বড় হয়ে যায়

    একজন বাবার কান্না, একজন পরিবারের ভেঙে পড়া জীবন—এসব কি শুধু খবরের শিরোনাম হবে? নাকি আমাদের বিবেক নাড়া দেবে?

    আজ সাদ্দাম, কাল হয়তো অন্য কোনো নাম।

    নাম বদলাবে, কিন্তু প্রশ্ন একই থাকবে—

    দোষ কার? অপরাধীর, না নীরব দর্শকের?

    ইনসাফ কোনো দলের সম্পত্তি না, কোনো ক্ষমতার দাস না।

    ইনসাফ মানে—

    দুর্বলও ন্যায় পাবে, শক্তিশালীও জবাবদিহি করবে।

    যদি সেটা না হয়, তাহলে রাষ্ট্র থাকবে, আইন থাকবে—

    কিন্তু ন্যায়বিচার থাকবে না।

    আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস দিন।

    নীরবতা যেন আর জুলুমের অংশ না হয়। ✊

  • ৭ই মার্চ ১৯৭১ স্থান: রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান), ঢাকা l বক্তা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রোতা: লক্ষ লক্ষ মানুষ, পুরো জাতিl

    ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় পেলেও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। পূর্ব পাকিস্তানে দমন-পীড়ন, বৈষম্য ও সামরিক হুমকি চরমে ওঠে। এই সংকটময় মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু জাতির দিকনির্দেশনা দিতে ৭ই মার্চ ভাষণ দেন।

    সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা না করেও স্বাধীনতার প্রস্তুতির স্পষ্ট নির্দেশ। অসহযোগ আন্দোলন: প্রশাসন, আদালত, অফিস—সব ক্ষেত্রে জনগণকে অসহযোগে অংশ নিতে বলা। সংগ্রামের ডাক: “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” শৃঙ্খলা ও ঐক্য: ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা, কিন্তু শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান।

    পুরো জাতিকে একতাবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধের পথে প্রস্তুত করে। কার্যত এটি ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর নৈতিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপন করে।

    ২০১৭ সালে ইউনেস্কো ৭ই মার্চের ভাষণকে “Memory of the World Register”-এ অন্তর্ভুক্ত করে—বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পায়।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান🇧🇩বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি, বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা।

    বাঙালির অধিকার ও আত্মপরিচয়ের সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন ১৯৫২ ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থান—সবখানেই অগ্রণী ভূমিকা ৭ই মার্চ ১৯৭১-এর ঐতিহাসিক ভাষণে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেন ২৬ মার্চ ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণা দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বিজয় ,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব ও আদর্শশোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন অসাধারণ বক্তা, জননেতা ও সাহসী সংগ্রামী জনগণের শক্তিতেই বিশ্বাস করতেন।

    অমর বাণী

    “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

    যারা আওয়ামী লীগ নিয়ে কতু কথা বলে ,তাদের ইস্পস্ত করে বলতে চাই ,খুব দূরে নয় অচিরেই শুনবো আবার শেখ মুজিবুর রহমানের অমর বাণী“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।বাংলাদেশের মানুষের ভালবাসার নাম , আওয়ামীলীগ 😍শেখ হাসিনা।

  • জনগণকে বড় স্বপ্ন দেখানো হয়
    কিন্তু বাস্তবায়নের স্পষ্ট পথ দেখানো কম

  • ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবময় দিন।১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তানের শাসন থেকে মুক্ত হয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান পায়।

    কেন যুদ্ধ শুরু হয়:…..::

    ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়।পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ছিল সংখ্যায় বেশি,কিন্তু তারা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ভাষাগতভাবে বঞ্চিত ছিল।১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জয়ী হলেও পাকিস্তানি সরকার ক্ষমতা দেয়নি।

    ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নৃশংস হামলা চালায় (অপারেশন সার্চলাইট)। এর পর শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।নয় মাসের যুদ্ধ,এই হত্যাযজ্ঞের পর বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশকে স্বাধীন করার জন্য লড়াই করেন।নারী, শিশু, সাধারণ মানুষ—সবাই এই যুদ্ধে ত্যাগ স্বীকার করেন।নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে।এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়।

    এই দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা সহজে আসেনি ত্যাগ ও সংগ্রামের ফলেই বিজয় এসেছে দেশপ্রেম ও ঐক্যের শক্তি অপরিসীম.l

    সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।তাঁদের আত্মত্যাগেই আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা ও লাল-সবুজের পতাকা।চিরস্মরণীয় আপনারা।জয় বাংলা! 🇧🇩.,জয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান•’????


  • সামাজিক কুসংস্কার ও শিক্ষা ঘাটতি

    বাংলাদেশ একটি বহুসাংস্কৃতিক, বহু ধর্মাবলম্বীর দেশ। স্বাধীনতার পর থেকে সংখ্যালঘুরা—বিশেষ করে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো—বিভিন্ন সময়ে ভৌমিক হামলা, জমি দখল, রাজনৈতিক প্রতিশোধ এবং ধর্মীয় উগ্রতার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে।

    সংখ্যালঘু নির্যাতন সাধারণত নিম্নোক্ত রূপে দেখা যায়—

    জমি দখল ও সম্পত্তি দখল ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা (মন্দির, গির্জা, বৌদ্ধ বিহার) হত্যা, মারধর ও ভীতি প্রদর্শন নারী ও কন্যাশিশুর ওপর সহিংসতা রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক হামলা সামাজিক বৈষম্য ও বঞ্চনা

    সংখ্যালঘু নির্যাতনের পেছনে কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে—

    রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দুর্বল আইন প্রয়োগ ধর্মীয় উগ্রপন্থা সামাজিক কুসংস্কার ও শিক্ষা ঘাটতি অর্থনৈতিক স্বার্থ (সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্য)রাষ্ট্র সংখ্যালঘু সুরক্ষায় আইনগত পদক্ষেপ নিলেও প্রয়োগের ঘাটতি প্রায়ই দেখা যায়। নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন এবং গণমাধ্যম এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

    আইনের কঠোর প্রয়োগ

    হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে কঠোর শাস্তি।

    শিক্ষা ও সচেতনতা

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও বহুত্ববাদের শিক্ষা জোরদার করা।

    রাজনৈতিক সদিচ্ছা

    সকল দলের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘু সুরক্ষায় দৃঢ় অবস্থান।

    জরুরি সহায়তা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা

    হামলার পর পুনর্গঠন, নিরাপত্তা ও মানসিক সেবা নিশ্চিত করা।

    সম্প্রতি (২০২৪-২০২৫) সময়ে — অর্থাৎ গত কিছু মাসে — বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (বিশেষ করে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান প্রভৃতি) বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া কিছু বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরছি। এগুলো এই ইস্যুটির মাত্রা, প্রকৃতি এবং সাম্প্রতিকতা নির্দেশ করে — যাতে আপনি “নির্যাতনের কথা শুধু পুরনো” বললে এ ধরনের ফ্যাক্ট দেখিয়ে বোঝা যায় এই সমস্যা এখনও আছে।

    Bangladesh Hindu Buddhist Christian Unity Council (BHBCUC)-র রিপোর্ট (২০২৪-২০২৫) ওই কাউন্সিলের তথ্যমতে, ৪ আগস্ট ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত প্রায় ৪৩২টি ভৌত (violence) ঘটনা minority-দের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে থাকছে — মন্দির বা পুজাস্থানে হামলা, বাড়ি/দোকান দখল/লুটপাট, ধর্মীয় ও সাংগঠনিক ভাবে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হয়রানি।  

    ২০২৫ সালের জুলাইয়ে — 2025 Gangachara Hindu neighbourhood attack রংপুর জেলার গঙ্গাচড়ায় (Gangachara Upazila, Aldadpur Balapara গ্রাম) ২৬–২৭ জুলাই ২০২৫: একটি হিন্দু পরিবারের উপর হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রায় ১৫–২০টি হিন্দু বাড়ি আক্রান্ত হয়, এবং অনেক পরিবার নিরাপত্তার কারণে এলাকাগুলো ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়।  — এই ঘটনায় অভিযোগ করা হয় ধর্মীয় ভ্যুইষম্যের নামে আচরণ করা হয়েছে।  

    ২০২৪ সালের অগাস্ট–ডিসেম্বরে এবং ২০২৫ সালের প্রথম দিকে গণহিংসা-উদ্যোগ ও ভৌত হামলা BHBCUC-এর তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় ২,৪৪২টি ধর্মীয় সংঘর্ষ / communal violence-র ঘটনা রিপোর্ট করা হয়।  — রিপোর্টী ঘটনার মধ্যে ছিল — “হত্যা, যৌন হয়রানি, মন্দিরে হামলা, বাড়ি ও ব্যবসা দখল, ধর্মীয় বাক স্বাধীনতার নামে হয়রানি” — এবং আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ, মহিলা, কিশোর-কিশোরী, সবই ছিল।  নির্বিচারে বিচার ও প্রতিকার পাচ্ছে না, বিচারহীনতার অভিযোগ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১,৪১৫টি রিপোর্ট করা ঘটনার মধ্যে ১,২৫৪টি “ভাইরিফায়েড (verified)” হয়েছে। কিন্তু পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এর প্রায় ৯৮% (১,২৩৪টি) ছিল “রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে” এবং মাত্র ২০টি ছিল প্রকৃত “সাম্প্রদায়িক (communal)” ঘটনা — যা সংখ্যালঘু কল্যাণ ও অধিকার সংগঠনগুলো ভিন্নমত পোষণ করে।  — সহজ কথায়: সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন বা হামলা হলেও, অনেক সময় “রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট” বা “অভিযোগ” বলা হচ্ছে, যা অনেক পরিবারকে न्याय থেকে বঞ্চিত করছে।  

    স্থান-ভৌগোলিক বিস্তার ও বৃহৎ মাপকাঠি BHBCUC এবং অন্যান্য রিপোর্ট অনুসারে, এই হামলা/নির্যাতন শুধু একটি জেলা বা কয়েকটি জায়গায় সীমাবদ্ধ নয় — প্রায় সারাদেশে, অনেক বিভাগ ও জেলার (যেমন : চট্টগ্রাম, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, যশোর, নড়াইল প্রভৃতি) একাধিক ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় betroffen হয়েছে। আওয়ামী লীগ আমলে কখনোই দেশের অবস্থা এমন ছিল না”—

    ২০০৯–২০২৩ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় জুড়ে মন্দির, বৌদ্ধ বিহার, গির্জা ও সংখ্যালঘু বাড়িতে বড় আকারের সহিংসতা খুব বেশি দেখা যেত না। স্থানীয় পর্যায়ে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও রাষ্ট্রীয় দমন, পুলিশি নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক অবস্থান ছিল তুলনামূলকভাবে শক্ত।আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২০১0 দশক জুড়ে অপরাধ, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমন স্থিতিশীল ছিল। বড় ধরনের দাঙ্গা বা সারাদেশে বিস্তৃত সাম্প্রদায়িক টেনশন খুব কমই দেখা গেছে।অনেক সংখ্যালঘু সংগঠন নিজেরাই বলেছে—

    উৎসব-পার্বণ পালনে বেশি স্বাধীনতা ছিল। পূজা, বড়দিন, বৌদ্ধ পূর্ণিমা ইত্যাদিতে রাষ্ট্রীয় সহায়তা মিলত। হামলা হলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতো।আওয়ামী লীগ সরকার ঐতিহাসিকভাবে—ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘বৈচিত্র্যকে সম্মান’, এবং ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’এই নীতিগুলোতে জোর দিয়েছে, যা সাম্প্রদায়িক শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।

    সাম্প্রতিক সময়ের—সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ, জমি দখল, রাজনৈতিক প্রতিশোধ, আইনশৃঙ্খলার পত—এসব দেখা যায়, তখন সহজেই বলা যায়: “আগের মতো নয় — এখনকার পরিস্থিতি ভিন্ন, অনেকটাই অস্থির”

    আমরা চাই আওয়ামী লীগ আবার দেশ শাসন করুক।

    গত কয়েক দশকে তারা দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন, শিক্ষা, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গির জন্য আমরা মনে করি—

    বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়োজন রয়েছে।

    দেশের অর্থনীতি, কূটনীতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যাতে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যায়—

    সেজন্যই আমরা চাই আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এসে দেশকে নেতৃত্ব দিক।

  • ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে ঢাকার পিলখানা বিডিআর সদর দপ্তরে হঠাৎ কিছু বিডিআর সদস্য বিদ্রোহ ঘোষণা করে। তারা উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়, Headquarters অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং সারাদেশে বিডিআর ব্যারাকগুলোতে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

    কর্মকর্তাদের সাথে বিডিআর সদস্যদের অসাম্য ও বৈষম্য খাদ্য ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সেনা কর্মকর্তা নেতৃত্ব–এর প্রতি অসন্তোষ তবে পরে অনেক পর্যবেক্ষক ও তদন্তে এই বিদ্রোহের পিছনে সম্ভাব্য নাশকতা ও ষড়যন্ত্র থাকার কথাও উঠে আসে।

    এই বিদ্রোহে নিহত হন—

    ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা, যারা বিডিআরে ডেপুটেশন ছিলেন মোট নিহত ৭৪ জন (সেনা সদস্যসহ বেসামরিক লোক)

    এটি বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যার একটি।

    বিদ্রোহ ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরের দিকে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে।

    সরকার শান্তিপূর্ণ উপায়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং পরে বিডিআর ঘেরাও করে টানা তদন্ত ও অভিযান চালানো হয়।

    তদন্ত ও বিচার

    তদন্ত ব্যাটালিয়ন:

    ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (CID) রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিটি সেনাবাহিনীর নিজস্ব তদন্ত

    বিচার:

    বহু মামলা হয়—

    হত্যা মামলা বিদ্রোহ মামলা

    ২০১৩ সালে ঢাকার আদালত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করে:

    ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড ১৬১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শতাধিকের বিভিন্ন মেয়াদের সাজা বহুজন আপিল করেন; পরবর্তীতে উচ্চ আদালত কিছু শাস্তি বহাল রাখে, কিছু কমায়, কিছু বাতিল করে।

    ঘটনার পর ২০১০ সালে বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) রাখা হয় এবং নতুন আইন ও কাঠামো করা হয়।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এত বড় সংখ্যক কর্মকর্তার একসাথে মৃত্যু ইতিহাসে নজিরবিহীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী পুনর্গঠনের পথ তৈরি হয় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, ষড়যন্ত্র, বাহিনী পরিচালনা ইত্যাদি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেl

  • “কি হচ্ছে চারদিকে?”

    মানুষের চোখে চোখে শুধু প্রশ্ন,

    আর উত্তরের নাম নেই।

    ভাতের থালা আজ ছোট হয়ে গেছে,

    কিন্তু দুঃখের পাহাড় বেড়েছে বহুগুণ।

    হাসি হারিয়ে গেছে বাজারের ভিড় থেকে—

    অতীতের মতো আর কেউ বলে না,

    “ভাল আছি ভাই, তুমি কেমন?”

    এখন সবাই শুধু ভাবে—

    কাল যদি আরও খারাপ হয়?

    দেশটা যেন দূষণের ধোঁয়া আর হতাশার জ্বালায়

    জড়িয়ে থাকা এক বিশাল অস্থির হৃদয়,

    যেখানে মানুষ লড়ে বেঁচে থাকার লড়াই,

    কিন্তু শুনতে পায় না কারো আশার ডাক।

    চাকরি নেই কারো হাতে,

    চিন্তা আছে সবার ঘরে।

    পেটে ক্ষুধা, মনে আগুন—

    কিন্তু সমস্যার তালিকা শেষ হয় না।

    রাতগুলো দীর্ঘ, দিনের আলো ম্লান,

    মনে হয় যেন দেশের আকাশও ক্লান্ত,

    মেঘের ভেতর কাঁদে নীরব বৃষ্টি—

    এই মাটির দুঃখে ভিজে যায় চারপাশ।

    তবুও মানুষের বুকের ভেতর

    একটা অদম্য বিশ্বাস বেঁচে থাকে—

    যে দেশটা শুধু অস্থিরতার গল্প নয়,

    একদিন আবার উঠবে জেগে,

    যেমন ভোরের সূর্য অন্ধকার ঠেলে

    আলোর পথ তৈরি করে।

    আমরা যে এই মাটির মানুষ,

    আমাদের রক্তে লুকোকে জেদ, ভালোবাসা,

    আর সেই ভালোবাসার জোরেই

    দেশ একদিন ফিরবে আশা,

    ফিরবে শান্তি, ফিরবে হাসি—

    কারণ অন্ধকার যত ঘন হোক,

    আলো আসবেই…

    আসতেই হবে।

  • জনতার রায়, জনতার গান —
    এই দেশ চলে জনগণের প্রাণ।
    যে থামাতে চায় সত্যের ভাষা,
    তারই সামনে দাঁড়ায় ইতিহাস রাশা।

    রক্তে লেখা এই পতাকা,
    বুকে তার লাল সবুজ আঁকা।
    এ মাটি বলে, “আমি নির্ভীক”,
    অন্যায়ের কাছে নই আমি নত শির!

    গণতন্ত্র মানে কণ্ঠের স্বাধীনতা,
    ন্যায়ের পথে লড়াই, এটাই চিরগাথা।
    যে করে অন্যায়, ভয় পায় আলোয়,
    জনতার চোখে সে ধরা পড়ে কালোয়।

    জেগে ওঠো, তরুণ, কৃষক, শ্রমিক —
    তোমার শক্তিই এই প্রজাতন্ত্রের দিক।
    একতার বাঁশি বাজাও,
    ন্যায়ের গান গাও,
    বাংলা জাগে আজ — নতুন আলোয় ভাসাও!