recent posts
- ঐতিহাসিক ২৩ জুন: সংগ্রাম, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের এক দীর্ঘ যাত্রা
- বাংলাদেশের উন্নয়ন, নেতৃত্ব এবং বর্তমান বাস্তবতা
- ১১ জুন: দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস
- দেশের টানে, দলের পাশে: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা
- দেশ বাঁচাতে প্রয়োজন জননেত্রী Sheikh Hasina-র আবার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
about
ক্যাটাগরি Uncategorized
-
বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী এবং সর্বাধিক জনসমর্থিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ১২ই ফেব্রুয়ারির যে প্রক্রিয়াকে নির্বাচন বলা হচ্ছে, তা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে না; বরং গণতন্ত্রকে বিলুপ্ত করার পথ প্রশস্ত করবে। গণতন্ত্র কি সত্যিই প্রতিষ্ঠিত হবে, নাকি বিলুপ্তির পথে? বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি প্রশ্ন বারবার সামনে আসে—যে নির্বাচন প্রক্রিয়া…
-
একটি দেশের রাষ্ট্রচরিত্র বোঝা যায় সে দেশের সংবিধান দিয়ে নয়, বোঝা যায় সেখানে দুর্বল মানুষ কতটা নিরাপদ। আজ বাংলাদেশে প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে— “এই দেশে বিধর্মীরা সংসদে থাকতে পারবে না।” এই বক্তব্য কোনো সাধারণ কথাবার্তা নয়। এটি সরাসরি একটি ঘোষণাপত্র: বাংলাদেশকে আর নাগরিক রাষ্ট্র নয়, ধর্মীয় রাষ্ট্রে রূপান্তর করার ঘোষণা। প্রশ্ন হলো— যে দেশে সংখ্যালঘুদের সংসদে…
-
ইনসাফ তখনই অদৃশ্য হয়ে যায়, যখন আইনের আগে মানুষ নয়, পরিচয় বড় হয়ে যায় সত্যের আগে শক্তি বড় হয়ে যায় আর্তনাদের আগে রাজনীতি বড় হয়ে যায় একজন বাবার কান্না, একজন পরিবারের ভেঙে পড়া জীবন—এসব কি শুধু খবরের শিরোনাম হবে? নাকি আমাদের বিবেক নাড়া দেবে? আজ সাদ্দাম, কাল হয়তো অন্য কোনো নাম। নাম বদলাবে, কিন্তু প্রশ্ন…
-
৭ই মার্চ ১৯৭১ স্থান: রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান), ঢাকা l বক্তা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রোতা: লক্ষ লক্ষ মানুষ, পুরো জাতিl ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় পেলেও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। পূর্ব পাকিস্তানে দমন-পীড়ন, বৈষম্য ও সামরিক হুমকি চরমে ওঠে। এই সংকটময় মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু জাতির দিকনির্দেশনা দিতে ৭ই…
-
জনগণকে বড় স্বপ্ন দেখানো হয়কিন্তু বাস্তবায়নের স্পষ্ট পথ দেখানো কম
-
১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবময় দিন।১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তানের শাসন থেকে মুক্ত হয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান পায়। কেন যুদ্ধ শুরু হয়:…..:: ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়।পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ছিল সংখ্যায় বেশি,কিন্তু তারা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ভাষাগতভাবে বঞ্চিত ছিল।১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী…
-
সামাজিক কুসংস্কার ও শিক্ষা ঘাটতি বাংলাদেশ একটি বহুসাংস্কৃতিক, বহু ধর্মাবলম্বীর দেশ। স্বাধীনতার পর থেকে সংখ্যালঘুরা—বিশেষ করে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো—বিভিন্ন সময়ে ভৌমিক হামলা, জমি দখল, রাজনৈতিক প্রতিশোধ এবং ধর্মীয় উগ্রতার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন সাধারণত নিম্নোক্ত রূপে দেখা যায়— জমি দখল ও সম্পত্তি দখল ধর্মীয় স্থাপনায় হামলা (মন্দির, গির্জা, বৌদ্ধ বিহার)…
-
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে ঢাকার পিলখানা বিডিআর সদর দপ্তরে হঠাৎ কিছু বিডিআর সদস্য বিদ্রোহ ঘোষণা করে। তারা উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়, Headquarters অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং সারাদেশে বিডিআর ব্যারাকগুলোতে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। কর্মকর্তাদের সাথে বিডিআর সদস্যদের অসাম্য ও বৈষম্য খাদ্য ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সেনা কর্মকর্তা নেতৃত্ব–এর প্রতি অসন্তোষ…
-
“কি হচ্ছে চারদিকে?” মানুষের চোখে চোখে শুধু প্রশ্ন, আর উত্তরের নাম নেই। ভাতের থালা আজ ছোট হয়ে গেছে, কিন্তু দুঃখের পাহাড় বেড়েছে বহুগুণ। হাসি হারিয়ে গেছে বাজারের ভিড় থেকে— অতীতের মতো আর কেউ বলে না, “ভাল আছি ভাই, তুমি কেমন?” এখন সবাই শুধু ভাবে— কাল যদি আরও খারাপ হয়? দেশটা যেন দূষণের ধোঁয়া আর হতাশার…
-
জনতার রায়, জনতার গান —এই দেশ চলে জনগণের প্রাণ।যে থামাতে চায় সত্যের ভাষা,তারই সামনে দাঁড়ায় ইতিহাস রাশা। রক্তে লেখা এই পতাকা,বুকে তার লাল সবুজ আঁকা।এ মাটি বলে, “আমি নির্ভীক”,অন্যায়ের কাছে নই আমি নত শির! গণতন্ত্র মানে কণ্ঠের স্বাধীনতা,ন্যায়ের পথে লড়াই, এটাই চিরগাথা।যে করে অন্যায়, ভয় পায় আলোয়,জনতার চোখে সে ধরা পড়ে কালোয়। জেগে ওঠো, তরুণ,…